আক্রান্ত তফসিলি সম্পদায়ের কর্মীদের দেখতে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার

আক্রান্ত তফসিলি সম্পদায়ের কর্মীদের দেখতে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার




ইছামতি সংবাদ, বসিরহাট, ১৭ জুলাই : 'পশ্চিমবাংলা জুড়ে বিজেপি করার অপরাধে মূলত যাদের উপরে আক্রমণ করা হচ্ছে,  তাদের অধিকাংশই তপশিলি সম্প্রদায়ের মানুষ। তাই তৃণমূল কংগ্রেস এদেরকে টার্গেট করেছে, বিজেপি করলে তাদের বাঁচতে দেওয়া হবে না। পশ্চিমবাংলার পিছিয়ে পড়া সমাজের, দলিত সমাজের মানুষের উপরে যে ভাবে আক্রমণ হচ্ছে এটা উত্তর প্রদেশে বা অন্য রাজ্যে হলে এত সময় বুদ্ধিজীবীরা দিনের বেলা মোমবাতি হাতে নিয়ে বেরিয়ে পড়তো'। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে পশ্চিমবাংলার অবস্থা পরিষ্কার করতে সোমবার বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তের দাঁড়িয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।



         ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত বসিরহাট ইটিন্ডা পানিতার পঞ্চায়েতের ঘোজাডাঙ্গা উত্তরপাড়ার একাধিক বিজেপি সমর্থিত পরিবার। ইটিন্ডা পানিতর পঞ্চায়েতের ২৪১ নম্বর বুথের বিজেপি সমর্থিতদের উপরে ভোট কাটতেই শুরু হয়েছে বেলাগাম আক্রমণ। ভোটেরে গণনার দিন থেকেই লাগাতার হামলার মুখে পড়তে হচ্ছে গ্রামের স্বরূপ রায়, প্রদীপ মন্ডল সহ একাধিক বিজেপি কর্মীকে।  তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা বলেন, 'গণনার রায় প্রকাশ হতেই গ্রামে তান্ডব শুরু করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। দুষ্কৃতীদের হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশে অবৈধভাবে ঢুকে গিয়ে বিএসএফের শরণাপন্ন হতে হয়েছে আমাদের'। জানা যায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত থেকে বাঁচতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে যেতে বাধ্য হয় বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। সোমবার ঘোজাডাঙ্গা উত্তর পাড়ায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে তাদের আর্থিক সাহায্য করা হয় দলের পক্ষ থেকে।

           হিঙ্গলগঞ্জের কালিতলা পঞ্চায়েতে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সঞ্জয় মন্ডলকে এদিন দেখতে যান বসিরহাট জেলা হাসপাতালে। বসিরহাট মহকুমা জুড়ে একাধিক জায়গায় বিজেপি কর্মীদের ওপরে হামলার বিষয় নিয়ে বলতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস তথা রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'তৃণমূল কংগ্রেস এই পশ্চিমবাংলাকে একপ্রকার বাংলাদেশই বানিয়ে দিয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষদের সমস্ত জীবন জীবিকা নষ্ট করে দিয়েছে এমনকি পানীয় জলের কলগুলো নষ্ট করে দিয়েছে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা গ্রামবাসীদের প্রসাব করে খেতে বলছে। মুখ্যমন্ত্রী আর তার ভাইপো বড় বড় কথা বলছে। একুশে জুলাই দেখবেন বড় বড় ডায়লগ দেবে। কিন্তু পশ্চিমবাংলার বাস্তবিক পরিস্থিতি কি? গণতন্ত্র কোথায়?'

জন পড়েছেন

0/Post a Comment/Comments

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন