টাকার মানুষ
কবি : সুব্রত কর
টাকা যদি থাকতো তবে
হতাম আমি মনুষ্য জানোয়ার।
সবকিছুতেই হিসাব-নিকাশ নিতাম,
ঈশ্বরের আর কত দাম।
টাকার জোরে দিতাম
এঁকে সমগ্র শরীরে,
হীরের আংটিটা কিংবা
গ্রহণ নক্ষত্র পুঞ্জ রাশি।
টাকার জোরে অজ্ঞানীরা
বলছে আবিষ্কার করেছি আমি।
ঈশ্বর বলে এমন কিছু হয় নাকি আজি।
বিংশ শতাব্দীতে এমন কিছু হবে,
কথা বললেই হুশ করে
পৃথিবীর অপর প্রান্তে যাবে।
এমনি সব আজব খেলা,
টাকা দিলেই মেলে।
অজ্ঞানীরা নাড়ায়,
মাথা দুলে দুলে।
টাকা নাকি স্বর্গ নরক
টাকা তেই সব হয়।
তাহলে কেন সূর্যমামা
বিশ্রামে না যায়।
বিজ্ঞানের বাতি কাজে লাগে না- তো
সূর্যি মামা এলে।
বুক ভরা নিঃশ্বাস মেলে
মৃত্যুর আগে পর্যন্ত- রে ।
বল দেখিনি মহাশূন্যে,
কেমন পাথর ঘোরে।
বল প্রয়োগ না করে
কে পাঠালে তারে।
ছোট নক্ষত্র সূর্য নাকি
আরো বড় আছে।
বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের খবর মানুষ
টাকা দিয়েই রাখে।
মানুষ যদি সবই করে,
এসব করছে কারা।
জানিস না তোরা আরাম প্রিয়
মানুষের সৃষ্টি করা।
বোকা বানাও যাকে তাকে
টাকার গরম দিয়ে।
নকল আলোতে হাততালি দাও,
আসল আলো ফেলে।
টাকা দিয়েই যেতে হবে শেষ আশ্রয়স্থলে।
সবই তো মানুষ টাকা দিয়ে গড়ে
এ আবার নতুন কি কথা বলে।
টাকা জব টাকা কর টাকা ভজ ভাই
টাকার গুণে গুণী মানুষ
তুমি হবেই হবে ভাই।
টাকা দিলে বৃষ্টি ঝরে ছোট্ট ছোট্ট কোণে।
আকাশ ভরে বৃষ্টি ঝরলে
আকাশ বন্যা বলে।
টাকা দিয়ে বন্ধ করা যায় নাকি তারে? মানুষ শুধু অমানুষ হল টাকা রোজগারে।
তাই শুধু টাকা টাকা রব উঠেছে চারিধারে,
টাকা ছাড়া সমস্ত ভাই শূন্য এ ধরাধামে।
টাকা বিনা মরণ হলে
এ চারজন এল কারা?
টাকা মানুষ
নাকি ঈশ্বর
কি বলেন আপনারা?
জন পড়েছেন

খুব সুন্দর লিখেছো ভাই। অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই।
ReplyDeleteখুব ভালো থাকুন
DeletePost a Comment